গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপান (জিকেসিজে)
ভূমিকা / ষোষণাপত্র
সত্তর দশকের মধ্যভাগ থেকে বাংলাদেশীরা জীবিকার অন্বেষণে পরিবার-পরিজন এবং প্রিয়জন রেখে জন্মভূমি থেকে পাড়ি জমান পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। জাপানে বাংলাদেশীরা ব্যাপক হারে আগমণ করেন আশির দশকে। জাপানে আসার পর, প্রবাসীরা শুরু করেন নানা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড। সে সময় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আঞ্চলিক সংগঠন গড়ে উঠলেও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অভাবে অধিকাংশ সংগঠন বিলীন হয়ে যায়।
বৃহত্তর খুলনা একটি বিশাল জনপদ অথচ দেশের সবচেয়ে অবহেলিত অঞ্চল। এ অঞ্চলে রয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি, বাউল সম্রাট লালন শাহের আখড়া, আধুনিক কবিতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাসগৃহ। রয়েছে পৃথিবীর সপ্তম প্রাকৃতিক আশ্চর্যের অন্যতম সুন্দরবন। বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার নামে পরিচিত অথচ সেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের জন্মভূমি খুলনা এখনও বহির্বিশ্বে অজ্ঞাত। এই প্রেক্ষাপটে, বৃহত্তর খুলনার বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য জাপান তথা সারাবিশ্বের কাছে তুলে ধরা এ অঞ্চলের জাপান প্রবাসীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।
অত্যন্ত দুঃখজনক যে ২০০৭ সালে সাইক্লোন সিডরের তান্ডবে সমগ্র দক্ষিনবঙ্গ প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের জাপান প্রবাসীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কোন ত্রাণকার্য সম্পাদন করতে পারেন নি। তবে তখন থেকেই বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের জাপান প্রবাসীরা ঐক্যবদ্ধ হবার তাগিদ অনুভব করতে শুরু করেন। খুলনা অঞ্চলের জনগন ঘরমুখী ও শান্তি প্রিয়। তাঁরা দলাদলি ও অন্তর্কোন্দল পছন্দ করেন না বিধায় ইচ্ছা থাকলেও সহসা কেউ বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য উদ্যোগী হয়ে ওঠেন নি। তবে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকলে বৃহত্তর খুলনা অঞ্চল আরো পিছিয়ে পড়বে, এই সত্য উপলদ্ধি করে কতিপয় উদ্যোক্তা খুলনা অঞ্চলের জাপান প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এগিয়ে আসেন।
বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের প্রবাসীদের নিয়ে একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠন গঠনের লক্ষ্যে ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর, টোকিওর ইকেবুকুরোতে একটি উন্মক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে ‘গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপান’ আত্মপ্রকাশ করে।
অনুচ্ছেদ ১। সংগঠনের নামকরণ
ধারা ১- এই সংগঠনের নাম, ‘গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপান’ সংক্ষপে ‘জিকেসিজে’। ইংরেজীতে Greater Khulna Community Japan (GKCJ)। এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং ধর্মনিরপেক্ষ একটি সংগঠন। গ্রেটার খুলনা বা বৃহত্তর খুলনা কথাটির অর্থ বৃহত্তর (আদি) খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলা নিয়ে গঠিত সমগ্র খুলনা বিভাগ।
অনুচ্ছেদ ২। সংগঠনের অবস্থান ও ঠিকানা
ধারা ২- গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের প্রধান কার্যালয় টোকিওতে থাকবে। প্রয়োজন বোধে, সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে জাপান অথবা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে সংগঠনের শাখা অফিস খোলা যাবে।
অনুচ্ছেদ ৩। আদর্শ ও উদ্দেশ্য
ধারা ৩ ক– বৃহত্তর খুলনা অঞ্চল তথা বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য অন্যদের কাছে, বিশেষ করে জাপানীদের কাছে তুলে ধরা।
ধারা ৩ খ– নানাবিধ অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের মাধ্যমে বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের জাপান প্রবাসীদের মাঝে সৌহার্দ-সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা ও তাঁদের ঐক্যবদ্ধ রাখা।
ধারা ৩ গ– জাপানে বসবাসরত বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের প্রবাসীদের সহায়তা প্রদান করা। তাঁদের জন্য সেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।
ধারা ৩ ঘ– বাংলাদেশে বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের উন্নয়নের লক্ষ্যে, জাপান থেকে সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগীতা করা। বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে বিবিধ সমাজ সেবামূলক প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।
ধারা ৩ ঙ– একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং ধর্মনিরপেক্ষ সংগঠন হিসাবে এর গ্রহণযোগ্যতা ও স্বকীয়তা বজায় রাখা।
অনুচ্ছেদ ৪। সংগঠনের সদস্য /সদস্যা হওয়ার নিয়মাবলী
গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের দুই ধরণের সদস্য/সদস্যা থাকবেন।
(ক) সাধারণ সদস্য/সদস্যা
(খ) অনারারী সদস্য /সদস্যা
ধারা ৪ ক– সাধারণ সদস্য/ সদস্যা
জাপানে বসবাসরত বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের যে কোন অধিবাসী, গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপান এর সদস্য ফর্ম পুরণ এবং নিবিন্ধন ফি পরিশোধ করে প্রাথমিক সদস্য/সদস্যার আবেদন করতে পারবেন। প্রাথমিক সদস্য/সদস্যা পদ গ্রহণ করার পর সংগঠনের নিয়মাবলী মেনে কমপক্ষে ছয় মাস নিয়মিত মাসিক চাঁদা পরিশোধ করলে তিনি সাধারণ সদস্য/সদস্যা হওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন। ব্যক্তিগত আচার-আচরণ, সংগঠনের প্রতি একনিষ্ঠতা, সাংগঠনিক কার্যক্রমে উপস্থিতির হার ইত্যাদি বিবেচনা করে, প্রাথমিক সদস্য/সদস্যাকে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সাধারণ সদস্য/সদস্যা হিসাবে তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে ও পরবর্তীতে তা সাধারণ সভায় অনুমোদিত হবে।
ধারা ৪ খ- অনারারী সদস্য /সদস্যা
সংগঠনের সাধারণ সদস্য/সদস্যার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-সজন, বন্ধু-বান্ধব (যারা বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের অধীবাসী নন) কিংবা গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের প্রতি বন্ধু ভাবাপন্ন যে কোন স্বদেশী বা বিদেশী নাগরিক এই সংগঠনের অনারারী সদস্য /সদস্যা হতে পারবেন। অনারারী সদস্য/সদস্যাগন সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ তথা সংগঠনের কোন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
অনুচ্ছেদ ৫। সদস্য / সদস্যাদের অধিকার
ধারা ৫ ক- গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের যে কোন সাংগঠনিক কার্যক্রমে সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের অংশ গ্রহণ করার অধিকার থাকবে। সদস্য/সদস্যাগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে, যোগ্যতার ভিত্তিতে কোন অনুষ্ঠানে বা কর্মসূচীতে নিজের পারঙ্গমতা বা প্রতিভা উপস্থাপন করতে পারবেন।
ধারা ৫ খ– সাধারণ সদস্য/সদস্যাগণ সংগঠনের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। কোন কারণে সাধারণ সভায় (বা নির্বাচনী সভায়) উপস্থিত না থাকতে পারলে তা সভার সাতদিন আগে কার্যনির্বাহী পরিষদকে লিখিত ভাবে অবহিত করতে হবে।
অনুচ্ছেদ ৬। সদস্য / সদস্যার- পদত্যাগ বা পদ বাতিল
ধারা ৬ ক– গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের যে কোন সাধারণ সদস্য/সদস্যা ব্যক্তিগত অথবা অন্য কোন কারণে পদত্যাগ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সভাপতির বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতি তা উপস্থাপন করবেন ও সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। গৃহীত সিদ্ধান্ত পরবর্তী সাধারণ সভায় উপস্থাপন করার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হবে।
ধারা ৬ খ– কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য /সদস্যা ব্যক্তিগত অথবা অন্য কোন কারণে সংগঠনের সভাপতির বরাবর লিখিত আবেদন করে কার্যনির্বাহী পরিষদ থেকে পদত্যাগের আবেদন করতে পারেন। পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতি তা উপস্থান করবেন। এ ব্যাপারে কার্যনির্বাহী পরিষদ, সভায় উপস্থিত সদস্য/সদস্যাদের আলোচনা সাপেক্ষে ও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। পদত্যাগের কারণ যুক্তিযুক্ত না হলে পরবর্তী নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত উক্ত সদস্য/সদস্যা স্বীয় পদে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য থাকবেন।
ধারা ৬ গ– সভাপতি পদত্যাগ করতে চাইলে যথাযোগ্য কারণ উল্লেখ পূর্বক সিনিয়র সহ-সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন পেশ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে, সহ-সভাপতি পূর্ববর্তী (৬ খ) ধারা অনুসরণ করবেন।
ধারা ৬ ঘ– কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য/সদস্যা বিনা নোটিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাঁর কার্যনির্বাহী পরিষদের পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। সেই ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সদস্য/সদস্যা থেকে অন্য কাউকে কো-অপ করতে পারবেন। তবে তা অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে হতে হবে এবং পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
ধারা ৬ ঙ– কোন কারণে সভাপতির পদ বাতিল হলে পরবর্তী সাধারণ সভার মাধ্যমে নতুন সভাপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি, সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ৬ চ- কোন সাধারণ সদস্য/সদস্যা মাসিক চাঁদা একবছর যাবত পরিশোধ না করলে তার সদস্য/সদস্যা পদ আপনা থেকেই বাতিল বলে গণ্য হবে। এমতাবস্থায় উক্ত সদস্য/সদস্যাকে আবার নিবন্ধন ফি দিয়ে এবং বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করে সদস্য/সদস্যা পদ নবায়ন করতে হবে।
ধারা ৬ ছ- কোন সাধারণ সদস্য /সদস্যা সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি আচরণ করলে বা নিয়ম ভঙ্গ করলে কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রথমে উক্ত সদস্য/সদস্যাকে মৌখিক এবং পরে লিখিতভাবে সর্তক করবে। সতর্কীকরণের তিন মাসের মধ্যে উক্ত সদস্য/সদস্যা তার আচরণ বা কর্মকান্ডের পুণরাবৃত্তি ঘটালে, কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল ঘোষণা পূর্বক পরবর্তী সাধারণ সভায় তা উপস্থাপন করবে।
অনুচ্ছেদ ৭। সাংগঠনিক কাঠামো
গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরূপঃ
(ক) সাধারণ সভা
(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ
(গ) উপদেষ্টা পরিষদ
(ক) সাধারণ সভা
ধারা ৭ ক ০১- সাধারণ সভা গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। সাধারণ সভা সংগঠনের সকল নীতি নির্ধারণ করবে।
ধারা ৭ ক ০২- সাধারণ সভা গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের গঠনতন্ত্র পরিমার্জন কিংবা পরিবর্তন করতে পারবে।
ধারা ৭ ক ০৩- সাধারণ সভা কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করবে। সে জন্য সাধারণ সদস্য /সদস্যাদের মধ্য থেকে বৃহত্তর খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া, এই তিন আদি বৃহত্তর জেলা থেকে একজন করে, সর্বমোট তিনজনকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।
ধারা ৭ ক ০৪- সাধারণ সভায় প্রস্তাবিত কোন কর্মসূচী গৃহীত হলে কার্যনির্বাহী পরিষদ তা পরিবর্তন করতে পারবে না। পরিবর্তন করতে হলে সাধারণ সভা আহবান করে সংখ্যাধিক্যের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ধারা ৭ ক ০৫- সাধারণ সভায় সংগঠনের বাৎসরিক হিসাব নিকাশ দাখিল করতে হবে। পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ সভার কাছে জবাবদিহি থাকবে।
ধারা ৭ ক ০৬- কোন বিতর্কিত বিষয় সাধারণ সভায় উপস্থাপন করতে হলে ন্যুনতম এক সপ্তাহ আগে কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছে তা লিখিতভাবে জমা দিতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভাপতি তা উপস্থাপনা করবেন।
ধারা ৭ ক ০৭- প্রয়োজনবোধে বছরে একাধিক সাধারণ সভা আহবান করা যেতে পারে। তবে কমপক্ষে একটি বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হতে হবে। সাধারণ সভা আহবান করার দায়িত্ব পালন করবে কার্যনির্বাহী পরিষদ।
(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ- সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের মধ্য থেকে নির্বাচন (ইলেকশন) অথবা নির্ধারণ (সিলেকশন) এর মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে।
ধারা ৭ খ ০১- সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের মধ্য থেকে নির্বাচন (ইলেকশন) অথবা নির্ধারণ (সিলেকশন) এর মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে।
ধারা ৭ খ ০২- সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত/কর্মসূচী কার্যনির্বাহী পরিষদ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকবে।
ধারা ৭ খ ০৩- কেবলমাত্র জরুরী অবস্থায় কার্যনির্বাহী পরিষদ, পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য/সদস্যার সম্মতি নিয়ে কোন তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারবে। সেই ক্ষেত্রে পরবর্তী সাধারণ সভায় উক্ত সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
ধারা ৭ খ ০৪- কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল দুই বৎসর। মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে তিন মাস আগে কার্যনির্বাহী পরিষদ, বার্ষিক সাধারণ সভা আহবান করা ও নির্বাচন কমিশন গঠন করার উদ্যোগ নেবে।
(গ) উপদেষ্টা পরিষদ
ধারা ৭ গ ০১- গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করার জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য/সদস্যা সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ পাঁচজন। উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত হবার ক্ষেত্রে সেই সদস্য/সদস্যাকে সংগঠনের সাধারণ সদস্য/ সদস্যা হতে হবে।
ধারা ৭ গ ০২- গ্রেটার খুলনা কমিউনিটি জাপানের সাধারণ সভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য/সদস্যাগণ নির্ধারিত/নির্বাচিত হবেন।
ধারা ৭ গ ০৩- উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য/সদস্যাগণ প্রয়োজনবোধে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত হয়ে তাঁদের মতামত প্রদান করতে পারবেন।
ধারা ৭ গ ০৪– উপদেষ্টা পরিষদের কোন সদস্য/সদস্যা কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন পদের জন্য নির্বাচন করতে পারবেন না। যদি নির্বাচন করতে চান সেই ক্ষেত্রে তাকে নির্বাচনের এক মাস আগে, (সভাপতি বরাবর) লিখিতভাবে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
অনুচ্ছেদ ৮। কার্যনির্বাহী পরিষদের কাঠামো
সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের মধ্য থেকে তেইশ সদস্য/সদস্যা বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া- এই তিন আদি বৃহত্তর জেলার কমবেশী সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এই তিন পদ তিনটি পৃথক আদি বৃহত্তর জেলার, তিন সহ-সভাপতির পদ তিনটি পৃথক আদি বৃহত্তর জেলার ও তিন সদস্য পদ তিনটি পৃথক আদি বৃহত্তর জেলা থেকে হওয়া বাঞ্ছনীয়। অন্যান্য পদ্গুলি যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারণ/নির্বাচন করা যেতে পারে।
১। সভাপতি - এক জন
২। সহ-সভাপতি - তিন জন
৩। সাধারণ সম্পাদক - এক জন
৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক - এক জন
৫। সাংগঠনিক সম্পাদক - এক জন
৬। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক - এক জন
৭। দপ্তর সম্পাদক - এক জন
৮। সহ-দপ্তর সম্পাদক - এক জন
৯। অর্থ সম্পাদক - এক জন
১০। সহ-অর্থ সম্পাদক - এক জন
১১। প্রচার সম্পাদক - এক জন
১২। সহ-প্রচার সম্পাদক - এক জন
১৩। সাংস্কৃতিক সম্পাদক - এক জন
১৪। সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক - এক জন
১৫। ক্রীড়া সম্পাদক - এক জন
১৬। সহ-ক্রীড়া সম্পাদক - এক জন
১৭। মহিলা সম্পাদিকা - এক জন
১৮। সহ-মহিলা সম্পাদিকা - এক জন
১৯। সদস্য/সদস্যা - তিন জন
সর্বমোট তেইশ জন
কোন সম্পাদকের অনুপস্থিতি কিংবা অপারগতায় সহ-সম্পাদক তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক দুইজনেরই অনুপস্থিতি কিংবা অপারগতায় কার্যনির্বাহী পরিষদের তিন সদস্য/সদস্যার কোন এক সদস্য/সদস্যা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুচ্ছেদ ৯। কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য /সদস্যার দায়িত্ব ও কর্তব্য
ধারা ৯ ক– সভাপতিঃ সভাপতি হবেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও মুখপাত্র। পদাধিকার বলে তিনি সংগঠনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কাজের সুবিধার্থে সভাপতি কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য/সদস্যাদের মধ্য হতে কাউকে সভা পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন।
ধারা ৯ খ- সহ-সভাপতিঃ সভাপতি বর্তমান থাকা অবস্থায় তিনজন সহ-সভাপতি সংগঠনের সকল কর্মসূচী বাস্তবায়নে সভাপতিকে সার্বিক সহযোগীতা করবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে অথবা সভাপতি কোন কারণে পদত্যাগ করলে অথবা সভাপতি কর্তৃক ক্ষমতা অর্পিত হলে, সহ-সভাপতিগণের মধ্য থেকে বয়স ও অভিজ্ঞতার বিবেচনায় সিনিয়র সহ-সভাপতি, সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ৯ গ– সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ সাধারণ সম্পাদক অন্যান্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনের বার্ষিক কর্মসূচী প্রণয়ন করবেন। তিনি সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার উপস্থাপনা করবেন। অন্যান্য সংগঠনের সাথে সমন্বয় রক্ষা করবেন। সংগঠনের পক্ষে বিবৃতি প্রদান করবেন। তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার কার্য বিবরণ সংরক্ষনের দায়িত্ব পালন করবেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক সকল কার্যক্রমে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ঘ– সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ তিনি সংগঠনের কার্যক্রমের পরিধি বিস্তার ও সদস্য/সদস্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য সক্রিয় থাকবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে সভার দিন-ক্ষন-স্থান নির্ধারণ, সভা আহবান সহ অন্যান্য সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক সকল বিষয়ে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সকল কার্যক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ঙ– অর্থ সম্পাদক ও সহ-অর্থ সম্পাদকঃ অর্থ সম্পাদক সংগঠনের তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব রক্ষণ করবেন এবং সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় তা পেশ করবেন। সহ-অর্থ সম্পাদক সকল কার্যক্রমে অর্থ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ চ– দপ্তর সম্পাদক ও সহ-দপ্তর সম্পাদকঃ দপ্তর সম্পাদক সংগঠনের যাবতীয় নথি সংরক্ষণ করবেন। সংগঠনের সকল গোপনীয়তা রক্ষা করবেন। সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে এবং সংগঠনের স্বার্থে সমিতির সদস্য/সদস্যাদের মধ্যে ঠিকানা, টেলিফোন নাম্বার বা অন্যান্য তথ্য বিনিময় করতে পারবেন। সহ-দপ্তর সম্পাদক সকল কার্যক্রমে দপ্তর সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ছ– প্রচার সম্পাদক ও সহ-প্রচার সম্পাদকঃ প্রচার সম্পাদক সংগঠনের কল্যাণে যাবতীয় প্রকাশনা, জনসংযোগ ও প্রচার কার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া বিবৃতি তিনি প্রচার মাধ্যমে (বেতার, টেলিভিশন, পত্রিকা) পাঠাবেন। সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী সভার তারিখ ও স্থান নির্ধারিত হওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট সদস্য/সদস্যাদের কে অবহিত করবেন। সহ-প্রচার সম্পাদক সকল কার্যক্রমে প্রচার সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ জ– সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সংগঠনের সংস্কৃতি সম্পর্কিত কার্যক্রম ও অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষামূলক কার্যক্রম আয়োজন ও পরিচালনা করবেন। তিনি জাপানে বা বাংলাদেশে অবস্থিত অন্যান্য সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য/সদস্যা, শিল্পী /কলাকুশলীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সকল কার্যক্রমে সাংস্কৃতিক সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ঝ- ক্রীড়া সম্পাদক ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদকঃ ক্রীড়া সম্পাদক সংগঠনের ক্রীড়া সম্পর্কিত কার্যক্রম ও অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করবেন। স্পোর্টস, পিকনিক বা এ ধরণের অন্য যেকোন কার্যক্রম আয়োজন ও পরিচালনা করবেন। তিনি জাপানে বা বাংলাদেশে অবস্থিত অন্যান্য ক্রীড়া সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সকল কার্যক্রমে ক্রীড়া সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ঞ- মহিলা সম্পাদিকা ও সহ-মহিলা সম্পাদিকাঃ মহিলা সম্পাদিকা সংগঠনের সদস্যা ও শিশুদের কল্যাণে গৃহীত কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্যাদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। তিনি জাপানে বা বাংলাদেশে অবস্থিত অন্যান্য মহিলা সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। সহ-মহিলা সম্পাদিকা সকল কার্যক্রমে মহিলা সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ধারা ৯ ট– সদস্যা/সদস্যাঃ তিনজন সদস্য/সদস্যা সংগঠনের পদহীন সম্পাদক হিসাবে সদা প্রস্তুত থাকবেন ও অন্যান্য সম্পাদকদের সহযোগীর ভূমিকা পালন করবেন। কোন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে উক্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন। সভাপতি নির্দেশিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুচ্ছেদ ১০। কার্যানির্বাহী পরিষদের নির্বাচন (ইলেকশন) বা নির্ধারণ (সিলেকশন)
ধারা ১০ ক- নির্বাচনের দিন সাধারণ সভায় উপস্থিত ভোটারদের মধ্য হতে, ধারা ৭ ক ০৩ মোতাবেক, একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুই জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত হবেন। কোন কারণে ঐ দিনই নির্বাচন করা সম্ভব না হলে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী এক মাসের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করতে বাধ্য থাকবেন।
ধারা ১০ গ- নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত হওয়ার পর পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদ সভাপতির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের কাছে পদত্যাগ করবেন।
ধারা ১০ ঘ- নির্বাচন কমিশন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী কোন একটি পদে অথবা সকল পদে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ধারা ১০ ঙ- ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হলে ভোটারগণকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। অনুপস্থিত ব্যক্তি ভোটাধিকার প্রয়োগের অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।
ধারা ১০ চ- সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের মধ্য থেকে কেউ প্রার্থী হিসেবে অনুপস্থিত ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করতে পারবেন ও অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত ব্যক্তি প্রার্থি হতে পারবেন। তবে ভোটর দিনে সকল প্রার্থীকে উপস্থিত থাকতে হবে। অনিবার্য কারণে কোন প্রার্থী ভোটের দিনে উপস্থিত থাকতে না পারলে, নির্বাচনের কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে তা লিখিত ভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। কোন প্রার্থী একাধিক পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না।
ধারা ১০ ছ- কোন একটি পদে অথবা সকল পদে যদি নির্বাচন করার প্রয়োজন না থাকে, সেই ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের নির্ধারণের (সিলেকশন) ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিতি হবে।
ধারা ১০ জ- নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষনা, বিজয়ী এবং বিজিত উভয়েই মেনে নিতে বাধ্য থাকবেন।
ধারা ১০ ঝ- চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষনার পর, নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হবে।
ধারা ১০ ঞ- কার্য নির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল, দায়িত্ব গ্রহণ করার তারিখ হতে পরবর্তী দুই (২) বৎসর স্থায়ী হবে।
অনুচ্ছেদ ১১। সমিতির আর্থিক ব্যবস্থা (তহবিল)
ধারা ১১ ক– প্রাথমিক এবং সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের নিবন্ধন ফি ও মাসিক চাঁদা সংগঠনের প্রাথমিক আয়ের উৎস হিসাবে বিবেচিত হবে।
ধারা ১১ খ– নিবন্ধন ফি ও মাসিক চাঁদার হার সাধারণ সভা নির্ধারণ করবেন। প্রয়োজনে বিশেষ কর্মসূচী প্রণয়ন করে সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যাবে।
ধারা ১১ গ– সংগঠনের কোন কর্মসূচী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে এবং আয়ের উৎস না থাকলে স্থায়ী সদস্য /সদস্যাগণ অতিরিক্ত চাঁদা দিয়ে ব্যয় ভার বহন করবেন।
ধারা ১১ ঘ– গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি না হলে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান অথবা যে কোন ব্যক্তির কাছ থেকে আর্থিক অথবা অন্য কোন সহযোগিতা গ্রহন করা যাবে। তবে তা কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ও পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
ধারা ১১ ঙ– সংগঠন সংক্রান্ত /সম্পর্কিত স্মারণিকা প্রকাশ করে কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন বাবদ অর্থ সংগ্রহ করে ফান্ড তৈরী করা যাবে। তবে তা কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ও পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
ধারা ১১ চ– আয়-ব্যয়ের হিসাব নিকাশে স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য, বার্ষিক সাধারণ সভার কমপক্ষে একমাস আগে সাধারণ সদস্য/সদস্যাদের মধ্য থেকে তিন সদস্য/সদস্যা বিশিষ্ট অডিট কমিটি গঠন করা হবে। সংগঠনের আয়–ব্যয়ের সকল হিসাব, অডিট কমিটি পরীক্ষা করে দেখবে ও সেই মোতাবেক অর্থ সম্পাদক বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিকাশ পেশ করবেন।
ধারা ১১ ছ– সংগঠনের নামে ব্যাংক একাউন্ট খোলা যাবে যা সভাপতি ও অর্থ সম্পাদক যৌথ ভাবে রক্ষন করবেন।
অনুচ্ছেদ ১২। সভা আহবান ও সভা চলাকালীন নিয়মাবলী
ধারা ১২ ক– সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদক সাধারণ সভা, কার্যনির্বাহী সভা, বিশেষ সভা আহবান করবেন এবং সভার নোটিশ অন্তত এক সপ্তাহ আগে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করবেন।
ধারা ১২ খ– উপস্থিত সদস্য/সদস্যাদের নিয়ে যথাসময়ে সভা আরম্ভ করতে হবে। বিলম্বে উপস্থিত সদস্য /সদস্যা পরে কার্যক্রম সম্পর্কে জেনে নেবেন।
ধারা ১২ গ– সভা চলাকালীন সময়ে সভাপতির অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দিতে হবে।
ধারা ১২ ঘ– সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনী ও অন্যান্য সমপর্যায়ের প্রস্তাব সাধারণ সভার অন্তত এক সপ্তাহ আগে সভাপতি বরাবর লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। গৃহীত সংশোধনী সমূহ মূল গঠনতন্ত্রের সাথে সংযোজনী হিসেবে সন্নিবেশিত করা হবে।
গঠনতন্ত্র রচনা: এই গঠনতন্ত্রটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা ডঃ শেখ আলীমুজ্জামান রচনা করেন।